যুবদলের সদ্য ঘোষিত ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ও ত্যাগী নেতাদের উপেক্ষা করে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় এবং অপেক্ষাকৃত অপরিচিত ব্যক্তিদের কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পদবঞ্চিত নেতারা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রমনা চাইনিজ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত পদবঞ্চিত নেতাদের এক জরুরি সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় বিএনপির মহাসচিবের হেয়ার রোডের ৩৫ নম্বর সরকারি বাসভবনে একটি প্রতিনিধি দল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।
প্রতিনিধি দলটি এই সাক্ষাতে সদ্য ঘোষিত কমিটি নিয়ে তাদের আপত্তি ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরবে। একইসঙ্গে, তারা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গেও সাক্ষাতের সুযোগ চেয়ে আবেদন জানাবেন।
পদবঞ্চিত নেতাদের মূল অভিযোগ হলো, যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন এবং কারাবরণ করেছেন, তাদের অনেককেই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর পরিবর্তে, রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় থাকা এবং তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তারা দ্রুত ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
এই সভায় সাবেক কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন পর্যায়ের ছাত্রদল এবং যুবদলের অর্ধশতাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন রফিকুল ইসলাম রফিক, মো. হুমায়ুন কবির, সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, জাকির হোসেন খান, রিয়ন তালুকদার, দেওয়ান অলি উদ্দিন সুমন, আবুল হাসান, খালিদ মাহমুদ মাসুদ, মাহফুজুর রহমান, মিজানুর রহমান সোহাগ, গোলাম ফারুক, নজরুল ইসলাম নাহিদ, ফরিদ খান, মহিবুল্লাহ জয়, খলিলুর রহমান জনি, রাকিবুল ইসলাম রোকন, মাহমুদ খান, খসরু আহমেদ হিরণ, সেলিম রেজা, মাসুদ রানা, মানিক হোসেন, এমদাদুল হক পারভেজ এবং কবির আহমেদ, মনিরুজ্জামানসহ আরও অনেকে।




