Sydney, Australia, Sunday, 23 July, 2017           www.banglarkantha.com          Your online magazine
For Study, Visit or Migrate to Australia please contact on +64430040490 or email at jibon67@yahoo.com
pancocon Office Professional Plus 2013 Key and Download URL will be send via Email within 8 hours. cheap office 2013 key

বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মিদের আ.লীগে যোগদানের হিড়িক, খালেদা জিয়ার ভাতিজাও এখন আওয়ামী লীগে

 

তৈয়বুর রহমান টনি নিউ ইয়র্কঃ-

Buy cheap Viagra online

আওয়ামী লীগে যোগদানের কারন জানতে চাইলে গত বছরের শেষ দিকে প্রতিবেদকের বাংলাদেশে অবস্হানের সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা’ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন-“বিএনপির সন্ত্রাসের রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করে ও আওয়ামী লীগের উন্নয়নের রাজনীতিতে আকৃষ্ট হয়ে সারা দেশে বিরোধী জোটের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগে যোগদান করছে। আওয়ামী লীগে যোগদান করতে কারো বাধা নেই; শুধু জামায়াত-শিবির ও রাজাকার বাদে।’PicMonkey Collage1

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি; দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন; যেখানে বিনা প্রদিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন, আওয়ামী লীগের ১৫৩ জন প্রার্থী।  পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগেরই জয়-জয়কার। সরকারের তুমুল জনপ্রিয়তার কারণেই পৌর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনের পরেই আবারোও শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগে যোগদানের হিড়িক। এবার আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভাইয়ের ছেলে-মেয়েসহ দলটির শতাধিক নেতাকর্মী। গত বৃহস্পতিবার ২১ জানুয়ারী অপরান্হে ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের শ্রীপুর ইস্কান্দারিয়া আলীম মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক প্রটোকল কর্মকর্তা আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধূরী নাছিম ও ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর হাতে ফুলের নৌকা দিয়ে তার আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

তারা হলেন- খালেদা জিয়ার চাচাতো ভাই আজহারুল হক মজুমদারের ছেলে একেএম মহিউদ্দিন সামু, আবদুল মোমিন মেম্বর, কামরুল ইসলাম, হাসনা বানু মুক্তা, হাছিনা আক্তার, আনোয়ার হোসেন, জীবন, রনিসহ দলটির শতাধিক নেতাকর্মী

সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদান করা সামু এক সময় উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন। বিএনপির সমর্থনে তিনি তিন বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগে যোগদান শেষে মুজিবকোট পরে জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে সামু বলেন, ‘এখন থেকে শ্রীপুর থেকে জয়বাংলার স্লোগান উঠবে।’

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘গুলশান থেকে ফোন আসছে শ্রীপুরে কী হচ্ছে, আমি বলছি আওয়ামী লীগের সমাবেশ চলছে। যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন জয়বাংলা স্লোগান আর মজিবকোট পরে বেঁচে থাকবো।’ সামু আরোও বলেন, ‘খালেদা জিয়ার পরিবারের আচরণ ভালো না, তারা মানুষকে সম্মান করতে জানে না। সাংগাঠনিক কাঠামো ঠিক নেই। এসব কারণে আমি আওয়ামী লীগে যোগদান করেছি। আওয়ামী লীগের সব কিছু ভালো।’1

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা এভাবেই ভিড়তে শুরু করেছেন আওয়ামী লীগে। গণতন্ত্র নেই বিএনপিতে এ অভিযোগ তুলে গত দুই বছরে বিএনপি-জামাত জোটের প্রায় ১০০ হাজারেরও বেশী নেতাকর্মী ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে। বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় এ রকম যোগদানের ঘটনা ঘটেছে অন্তত ৬২টি। সাধারণত দলবদলের হিড়িক পড়ে জাতীয় নির্বাচনের আগে। বিএনপি নির্বাচন বয়কট ছাড়া কোন গতি নাই। বিএনপি শুধু করবে ভাংচুর, হত্যা, জ্বালাও-পোড়াও, হরতাল ছাড়া বিএনপির কি করার আছে।

‘যতদিন বেঁচে থাকব নিষ্ঠার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে আওয়ামী লীগ তথা এলাকার উন্নয়নে কাজ করবো’ এমন প্রতিশ্রতি দিয়ে গত বছর জানুয়ারিতে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ শাহজাহান আলী সরদারের নেতৃত্বে তিন শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেয়। দুই মাস পর ১৭ এপ্রিল একই জেলার সদর উপজেলার একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল আকন্দের নেতৃত্বে দুই শতাধিক নেতাকর্মী যোগ দেয় ক্ষমতাসীন দলে। এর পরের মাস মে’র ২ তারিখে আবারোও একই উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজানের নেতৃত্বে বিএনপি ও ছাত্রদলের প্রায় আড়াই হাজার নেতাকর্মী যোগ দেন আওয়ামী লীগে।

জয়পুরহাটের মত একই ভাবে সংবাদ সম্মেলন করে পাঁচবিবি উপজেলা জামায়াতের মজলিসে শুরার কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সালামের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদানের ঘোষণা দেয়। ২১ এপ্রিল জয়পুরহাট সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল কুদ্দুস সরকারের নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেয়। এর তিন দিন আগে ১৮ এপ্রিল পাবনা সদর উপজেলার চর তারাপুর ইউনিয়ন বিএনপির দুই শতাধিক নেতাকর্মী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্সের হাতে ফুল দিয়ে আওয়ামী লীগে আসে। ১৪ এপ্রিল কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে স্থানীয় আট বিএনপি-জামায়াত নেতাসহ সহস্রাধিক কর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেয়।

৫ এপ্রিল মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ইউনিয়ন জামায়াতের সহসভাপতি সাব্বিরুল হক তালুকদার শামীমের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াতের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে আসে। একই দিনে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার দুল্লা ইউনিয়নের সাত ইউপি সদস্যসহ দুই হাজারের বেশি বিএনপি নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও জামায়াত নেতা আফজাল হোসেন পিন্টু ডজনখানেক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। গত ১২ মে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। একই দিনে স্থানীয় সুন্দরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মতিউর রহমানও আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। এর কিছুদিন আগেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াত-বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেয়।
১৫ মে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেয়। শ্রমিক দলের সহসভাপতি দীলবার ও লতব্দী ইউনিয়ন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক আক্তার হোসেন মেম্বারসহ পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষের হাতে ফুল দিয়ে যোগদান করে। ২৪ মে নোয়াখালীতে বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর হাতে ফুল দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৩ মে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রেদোয়ান চৌধুরী নয়ন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুলের হাত ধরে আওয়ামী লীগে আসেন।

৯ মে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিএনপি নেত্রী ও সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর রিনা হালিম এবং স্থানীয় জামায়াত নেতা মাওলানা শরীফ হোসাইনের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াতের দুই শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করে। এর আগের দিন লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে চরবংশী ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মজিবুল হক গাজী, যুবদল নেতা সফিক ঢালি ও মনির হোসেন ঢালিসহ দুই শতাধিক বিএনপির নেতাকর্মী যোগ দেয় আওয়ামী লীগে।

একই দিনে পটুয়াখালী সদর উপজেলার মৌকরণ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কুদ্দুস তালুকদারের নেতৃত্বে মৌকরণ এবং লাউকাঠি ইউনিয়নের দুই শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করে। একই দিনে জামালপুরের বকশীগঞ্জে উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সওদাগরের নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করে।

১৫মে ২০১৫ বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এমএম শাহরিয়ার রুমী দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ফরিদপুরের এই রাজনীতিক এখন তার জীবনের বাকি সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশসেবায় আগ্রহী বলে জানিয়েছেন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে। তিনি জানান, এরই মধ্যে পদত্যাগপত্র বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপনের কাছে পাঠানো হয়েছে। ফরিদপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন রুমী। ওই পদসহ বিএনপির সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। জানতে চাইলে ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদাররেছ আলী বলেন, অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ দিন ধরে দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয় ছিলেন রুমী।

রুমী প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দেশ-জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীলতার দিকে সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই। সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি বিএনপি ত্যাগ করছেন।

৬ জুন ভোলা পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও বিএনপি নেতা মঞ্জুর আলম আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। এর আগে ৮ মে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের শরিক বিজেপির প্রায় এক হাজার নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেয়। সেদিন ভোলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সামসুদ্দিন রাঢ়ি, জেলা ছাত্রদলের নেতা মীর পাভেল, আশরাফ শিশিরসহ নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগে যোগ দেয়। এছাড়া জামালপুরের সরিষাবাড়ীর সাতপোয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ইউনিয়ন বিএনপির দুই শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ দেয় ওই দিনেই। এর দুই দিন আগে ৪ জুন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ফজর আলী মেম্বারের নেতৃত্বে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ৮০ জন নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের ছায়াতলে আশ্রয় নেন।

৩০ নভেম্বর ২০১৫, ফরিদপুরে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন ৫ শতাধিক নেতাকর্মী। ফরিদপুর বিএনপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে তারা আওয়ামী লীগের যোগ দেন। এ সময় ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, ভাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন, জাহাঙ্গীর মাতব্বর, আমিনুল ইসলাম, এ্যাপোলো নরোজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। চাঁদপুরে জেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক ও ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ দুই শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ফরাজীকান্দির মাদরাসা মসজিদ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার হাত ধরে ক্ষমতাসীন দলে যোগদান করেন তারা।

আপাতদৃষ্টিতে আওয়ামী লীগের প্রতি গণমানুষের আস্থার বহি:প্রকাশ ঘটছে যোগদানের মাধ্যমে। দেশের জনগণ উন্নয়নে বিশ্বাসী। বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীর ছাড়াও নতুন প্রজন্ম সহ সর্বসাধারণের আওয়ামী লীগের প্রতি আস্হা দিনদিনই বাড়ছে। আবার জনগণই বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে রাজনীতি করে। জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতিতে এসব নেতাকর্মী যোগ দিচ্ছেন। এটি আওয়ামী লীগের প্রতি গণমানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ।

Shuvo Noboborsho

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য